নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির উপায়

নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির উপায় হলো সঠিক সময় এবং উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা। নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য মাটির সাস্থ্য অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন। নারিকেল গাছের জন্য প্রচুর সূর্যলোক এবং বাতাস প্রয়োজন।

নারিকেল-গাছের-ফলন-বৃদ্ধির-উপায়

নারিকেল গাছের চারা এমন জায়গায় রোপন করতে হবে যেখানে পর্যাপ্ত সূর্যলোক এবং বাতাস পাওয়া যায়।তবে নারিকেল গাছের চারা রোপন করার পূর্বে যে মাটিতে চারাটি রোপন করবেন সেই মাটির pH এর মান চেক করে নেওয়া ভালো।

পেজ সূচিপত্রঃ নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির উপায় 

নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির উপায়

নারিকেল গাছের ফলন বাড়ানোর প্রথম এবং গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হলো গাছের চারার সঠিক জাত নির্বাচন করা। নারিকেল গাছ উপকূলীয় অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি ফসল। নারিকেল গাছের বিভিন্ন উপকারিতা রয়েছে। এ গাছটি থেকে বিভিন্ন উপাদান তৈরি করা যায়। নারিকেল গাছের জাতের ওপর ভিত্তি করে ফলন পাওয়া যায়। বিভিন্ন জাতের নারিকেল গাছ বিভিন্ন পরিমাণ ফলন দিয়ে থাকে। 

নারিকেল গাছের ভালো ফলন পাওয়ার জন্য মাটির উর্বরতা এবং মাটির pH এর মান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাটির pH এর মান সাধারণত ৫.৫ থেকে ৭.৫ এর মধ্যে থাকা উচিত। নারিকেল গাছে জৈব সার যেমন গোবর কম্পোস্ট ইত্যাদি কাছের উর্বরতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং গাছকে শক্তিশালী করে তোলে। সাধারণত নারকেল গাছের জন্য উপযোগী মাটি হলো লো-ম্যাজিক এবং কম্পোস্টযুক্ত মাটি।

নারিকেল গাছে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি প্রয়োগ করতে হয় তবে অতিরিক্ত পানি নারিকেল গাছের জন্য ক্ষতিকর। নারিকেল গাছের গোড়ায় অতিরিক্ত পানি জমলে নারিকেল গাছের শিকড় এর অক্সিজেনের অভাব পারে যা গাছের স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই নারিকেল গাছের জন্য সঠিক জলাবদ্ধতা নিশ্চিত  করতে হবে। মাটি অতিরিক্ত আদ্র থাকলে উপযুক্ত ড্রেনের ব্যবস্থা করে দিতে হবে এবং আজকে নিয়মিত পানি দিতে হবে বিশেষ করে গরম মৌসুমে। 

সাধারণ ফসলের মতো নারিকেল গাছ বিভিন্ন রোগ বা পোকামাকড় দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। যেমন পাতার পচন, পিপঁড়া, মাকড়শা ইত্যাদি। এইসব রোগ গাছকে আক্রান্ত করলে গাছের বৃদ্ধি হ্রাস পায় এবং কাছের শক্তি কমে যায় যার ফলে গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ফলন কম দেয়। নারিকেল গাছের সুরক্ষার জন্য রাসায়নিক কীটনাশকের পাশাপাশি জৈব সার ব্যবহার করা উত্তম। 

নারিকেল গাছে সার প্রয়োগ পদ্ধতি

নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য সঠিক নিয়মে সার প্রয়োগ করলে গাছের স্বাস্থ্য এবং ফলনের উন্নতির বৃদ্ধি করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নারিকেল গাছের তারা রোপন করার আগে মাটি প্রস্তুত করতে হবে এবং চারা রোপনের সময় জৈব সার প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর কারণ হলো জৈব সার মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে এবং গাছের সত্যি যোগান দেয়। 

নারিকেল গাছের চারা রোপনের পর তিন থেকে চার মাসের মধ্যে প্রথম সার প্রয়োগ করতে হবে। নারিকেল গাছের গোড়ায় ১০ থেকে ১৫ কেজি কবর বা কম্পোস্ট ব্যবহার করতে হবে। এ সারটি ব্যবহারের নিয়ম হলো গাছের গোড়ার চারপাশে মাটির সাথে সুন্দরভাবে মিশিয়ে দেওয়া। নারিকেল গাছ বৃদ্ধির প্রতিটি ধাপে তার প্রয়োগের পরিমাণ এবং ধরনের পরিবর্তন হয়।


২ বছর বয়সী নারিকেল গাছে ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম নাইট্রোজেন, ফসফরাস এবং পটাশিয়াম এর পরিমাণ ২০০ গ্রাম প্রতিটি কাছে প্রয়োগ করতে হবে। নারিকেল গাছের আলমগীর দের জন্য প্রতিটি গাছের গোড়ায় উপযোগী সার ইচ্ছে করে আশেপাশে সুন্দরভাবে প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের পরে গাছের চারপাশে পানি দিতে হবে যাতে সার মাটির সঙ্গে মিশে যায় এবং শিকড় পর্যন্ত পৌছাতে পারে। 

নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য অনেকে অতিরিক্ত সার প্রয়োগ করে যা গাছের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর তাই নিয়ম মেনে ঠিক পরিমাণ সার প্রয়োগ করতে হবে এতে গাছের বৃদ্ধির বিকাশ এবং ফলন ভালো হয়। নারিকেল গাছের সঠিক সার প্রয়োগ পদ্ধতি অনুসরণ করলে আত্ম উন্নত হবে এবং ফলন বৃদ্ধি পাবে। 

নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য পুষ্টির পরিমাণ বাড়ানো

নারিকেল গাছ যে মাটিতে রোপন করা হবে সে মাটির পুষ্টি শোষণের ক্ষমতা থাকতে হবে। নারকেল গাছের পুষ্টি বৃদ্ধির জন্য প্রধানত ধানের প্রয়োজন যেমন নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস ( P), পটাশিয়াম (K) এ উপাদান গুলো প্রয়োজন। নাইট্রোজেন গাছের পাতা, শাখা এবং অন্যান্য অংশের বৃদ্ধির জন্য অপরিহার্য ভূমিকা পালন। সাধারণত নারিকেল গাছের পাতার বৃদ্ধি, শক্তি নাইট্রোজেনের উপর নির্ভরশীল। 

নারিকেল-গাছের-ফলন-বৃদ্ধির-উপায়
নাইট্রোজেন নারকেল গাছের প্রাথমিক বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি গাছের মধ্যে পর্যাপ্ত নাইট্রোজেন না থাকে তবে পাতার বৃদ্ধি কম হবে এবং ফলনও কম হতে পারে। নাইট্রোজেন স্যার হিসেবে ইউরিয়া ব্যবহার করা যায় তবে এর পরিমাণ সঠিকভাবে পরিমাপ করে প্রয়োগ করা জরুরী। অতিরিক্ত নাইট্রোজেন গাছের অন্যান্য পুষ্টির শ্বসনকে বাধা মুক্ত করতে পারে। 

সাধারণত ফসফরাস গাছের শিকড় এবং ফুলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি গাছের শক্তি উৎপাদন এবং শিকড়ের বিস্তার বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে। ফসফরাস সাধারণত ডিএপি বা টিএপি সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য ফসফরাস খুবই প্রয়োজনীয় কারণ এটি গাছের ভিতরের শক্তি ব্যবস্থাপনা তৈরি করে এবং ফল তৈরির প্রক্রিয়াকে সাহায্য করে। 


পটাশিয়াম নারিকেল গাছের জন্য অত্যন্ত উপকারী একটি উপাদান। পটাশিয়ামকে সাধারণত পটাশ সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। পটাশিয়াম গাছের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কারণ এটি শক্তিশালী শিকড় গঠন এবং গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করতে সাহায্য করে। পটাশিয়াম ব্যবহার করার ফলে গাছের ফলনের মান বৃদ্ধি পায় এবং গাছের ফল গুলোকে বড় করতে সাহায্য করে। 

নারিকেল গাছের ফলন বাড়াতে কীটনাশক এর ব্যবহার 

নারিকেল গাছে কিতনা থাকে সঠিক ব্যবহার নারিকেল গাছের ফলন বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারিকেল গাছের জন্য কীটনাশক ব্যবহারের সময় অনেক কিছুই নির্ভর করে। সঠিক সময় কীটনাশক ব্যবহার করলে গাছের উপর তার ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। গরম মৌসুমে নারকেল গাছে কীটপতঙ্গের প্রভাব লক্ষ্য করা যায় যা নারকেল গাছের পাতা কে নষ্ট করে। 

কীটপতঙ্গ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে যেমন পোকা-মাকড়, পিঁপড়া, ফাংগাস, রিউট রোগ এবং পাতার পচন। এ সকল রোগ গুলি নারিকেল গাছের জন্য খুবই ক্ষতিকারক। নারিকেল পোকা নামক কীটপতঙ্গটি নারিকেল গাছের শিকড় এবং পাতার মাধ্যমে পুষ্টি শোষণ করে যার ফলে নারিকেল গাছের পাতার এবং গাছের বৃদ্ধিতে বাধাগ্রস্ত হয়। ফাংগাস বা ছত্রাক এটি গাছের পাতা আক্রমণ করে যা পরে গাছের পুরো শাখাকে প্রভাবিত করতে পারে। 

নারিকেল গাছ ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ থেকে রক্ষা করতে কীটনাশকের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গরম মৌসুমে পাতায় আক্রমণ বৃদ্ধি পায় বিশেষ করে পাতার ওপর তাই এ সময়ে নারিকেল গাছে কীটনাশক ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরী। বৃষ্টির পর মাটির আদ্রতা বৃদ্ধি পায় এবং কীটপতঙ্গের আক্রমণ ও সে ক্ষেত্রে কীটনাশকের ব্যবহার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আপনি চাইলে কীটনাশক স্প্রে করে ব্যবহার করতে পারেন। 

নারিকেল গাছে পাতা পচন রোধ নিয়ন্ত্রন

নারিকেল গাছের পাতা পচন রোধ নিয়ন্ত্রণ করতে কিছু কার্যকরী পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। নারিকেল গাছের পাতার পচন এক ধরনের রোগ যা গাছের বৃদ্ধি ও ফলনকে বাধাগ্রস্ত করতে সাহায্য করে। একে নিয়ন্ত্রণ করতে সঠিক পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। বিভিন্ন ধরনের ছত্রাক গাছের পাতায় আক্রমণ করে এবং গাছের পাতায় পচন ধরাতে সাহায্য করে। 

নারিকেল-গাছের-ফলন-বৃদ্ধির-উপায়

গাছের পাতার পচন রোধ করতে কপার অক্সিক্লোরাইড বা কপার সালফেটের মত ছত্রাকনাশক গাছের পাতায় স্প্রে করে দেয়া যেতে পারে। ম্যানকজেব একটি জনপ্রিয় ছত্রাকনাশক। এটি নারিকেল গাছের পাতার ছত্রাকের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। বোরডক্স মিক্সারও একটি কার্যকরী ছত্রাকনাশক এটি গাছের পাতার উপর প্রয়োগ করতে পারবেন। গাছের পাতার পচন নিয়ন্ত্রণ করতে আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 


পাতার পচন কমাতে নিয়মিত গাছের পরিচর্যা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে গাছের শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। পতিত পাতা এবং শাখা পরিষ্কার গাছের নিচে শুকনো বা আক্রান্ত পাতার নিয়মিত তুলে ফেলতে হবে জাতীয় ছত্রাকের আক্রমণ বাড়তে না পারে। গাছের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কাছের বৃদ্ধি এবং গাছের স্বাস্থ্য নিয়মিত পর্যবেক্ষন করতে হবে। 

পাতা পচন বা অন্যান্য রোগের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা গেলেই দ্রুত চিকিৎসা করতে হবে। নারিকেল গাছের পাতা পতনের রোধ কমাতে জৈব সার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গোবর জৈব সার হিসেবে ব্যবহার করার যায়। জৈব সার ব্যবহারের ফলে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি পায় আজকে পুষ্টি উপাদান শোষন করতে সাহায্য করে। 

গাছপালা এবং মাটির সাস্থ্য সংরক্ষন

জৈব সার বা অগ্রাধিক সার মাটির স্বাস্থ্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যা গাছপালা এবং মাটির স্বাস্থ্য সংরক্ষণ করতে সহায়ক। গাছপালায় এবং মাটির স্বাস্থ্য সংরক্ষণ করতে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারবেন। মালচিং হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে মাটির উপরে পাতা, খর, পিচ অথবা অন্যান্য পদার্থের একটি স্তর পাওয়া যায়। বাটি স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং গাছপালা কে সংরক্ষিত রাখতে উপযুক্ত পুষ্টি সম্মত সার প্রয়োগ করা অত্যন্ত জরুরী। 

গাছপালা এবং মাটির স্বাস্থ্য সংরক্ষণ করার জন্য পর্যাপ্ত আলো এবং বায়ু চলাচল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গাছের ছায়া বা সংকীর্ণ স্থান রোগের সংক্রমণ বৃদ্ধির জন্য উপযোগী হতে পারে। গাছকে যথেষ্ট আলো  এবং বাতাসের মধ্যে রাখা উচিত। গাছের স্বাস্থ্য ও মাটির নিয়মিত পরিদর্শন করা জরুরী। গাছের পাতার অবস্থা এবং শিকড়ের স্বাস্থ্য আদ্রতা পর্যবেক্ষণ করলে রোগ বা কিটপতঙ্গের আক্রমণ চিহ্নিত করতে পারবেন। 

গাছের বৃদ্ধির জন্য টপ ড্রেসিং করা যায় যা গাছের শিকড়ের মধ্য দিয়ে পুষ্টি সরবরাহ করতে সাহায্য করে। গাছের সুরক্ষায় অতিরিক্ত শাখা এবং শুকনো পাতা কেটে ফেলা উচিত। গাছপালায় এবং মাটির স্বাস্থ্য সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ মাটি ও একে অপরের পরিপূরক। যদি বাড়তি স্বাস্থ্যবান হয় তবে গাছও সুস্থভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং গাছের ফল বড় হবে। তাই গাছপালা এবং মাটির স্বাস্থ্য সংরক্ষণ করতে নিয়মিত পরিচর্যা করতে হবে। 

নারিকেল গাছের জন্য পানি সেচের সঠিক পদ্ধতি

নারিকেল গাছের সুস্থতা এবং ভালো ফলন নিশ্চিত করতে পানি সেচের সঠিক পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নারিকেল গাছে সঠিক নিয়মে সেচ প্রদান করলে গাছের শিকড় সুস্থ থাকে এবং গাছের পাতা ও ফলের বৃদ্ধি হয়। নারিকেল গাছে পানি সেচ প্রক্রিয়া গাছের রোগ বালাই কে কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারণ নারিকেল গাছ প্রকৃতপক্ষে একটি জল প্রিয় গাছ। 

নারিকেল গাছের জন্য শেষের পরিমাণ নির্ধারণ করতে হবে। অতিরিক্ত পানি বা কম পানি দুটি গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই নারিকেল গাছের সুস্থতা বজায় রাখতে সঠিক পরিমাণে সেচ প্রয়োগ করতে হবে। নারিকেল গাছে পানি দেওয়ার সঠিক পদ্ধতি হলো রাইজিং সেচ। এটি একটি আধুনিক পদ্ধতি যেখানে মাটির নিচ দিয়ে পানি দেওয়া হয় ফলে পানি মাটির গভীরে প্রভাবিত হয়। 

অতিরিক্ত সেচ থেকে বিরত থাকুন কারণ অতিরিক্ত পানি সেচের ফলে মাটির অক্সিজেন কমে যায় এবং শিকড় পচে যেতে পারে। বিশেষ করে গরম ও শুষ্ক সময় পানির সেচের পরিমাণ বাড়ানো উচিত তবে শীতকালে কমাতে হবে। তাই সঠিক পদ্ধতিতে নিয়মিত পানি সেচ নিশ্চিত করলে নারিকেল গাছের পরিচর্যা আরো কার্যকরী হবে এবং ফলন বৃদ্ধি পাবে। 

লেখকের কথা

লেখকের মতে, নারিকেল গাছের জন্য নিয়মিত গাছের পরিচর্যা করতে হবে। সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণ পানি সেচ এবং সার প্রয়োগ করতে হবে। নারিকেল গাছের চারা রোপণ করার আগে অবশ্যই মাটির pH এর মান পরীক্ষা করে নিতে হবে তবে নারিকেল গাছে বৃদ্ধি এবং ফলন ভালো হতে পারে। 

আমাদের পোস্টটি পড়ে যদি আপনি উপকৃত হোন তবে আরো নতুন নতুন বিষয়ে জানতে আমাদের সাথেই থাকুন। আপনার যদি কোন বিষয়ে জানতে সমস্যা হয় তবে আমাদের ওয়েবসাইটে সার্চ করুন। আমাদের পোস্টটি ভালো লাগলে একটি সুন্দর কমেন্ট করে জানান ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আওয়ার ড্রিম আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url